ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর উপকারিতা ও অপকারিতা
আমাদের শরীরের ভিটামিন ই এর ঘাটতি দেখা দিলে এবং ত্বক ও চুলের যত্নে যে ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাওয়া হয় সেটা সাধারণত ই ক্যাপ নামে পরিচিত । ১৯২২ সালে সর্বপ্রথম ভিটামিন ই বিশ্বব্যাপী সরকারি
সংস্করণ গুলোর নির্দেশনা অনুযায়ী এক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি দৈনিক ১৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই ক্যাপ খাওয়া উচিত কখনো কখনো বয়স্কদের1000 মিলিগ্রাম ভিটামিন ই বহন করার কথা বলা হয় থাকে । ই গ্যাপ এর প্রধান উপাদান ভিটামিন ইযা একটি অক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে এবং তার পাশাপাশি চুল বা ত্বকের
কোন সমস্যা দেখা দিলে অনেকেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই ই ক্যাপ খাওয়া শুরু করে কিন্তু এই অভ্যাস নানা শারীরিক জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে তাই ই ক্যাপ নির্দিষ্ট যথেষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন ।
পেজ সূচিপএ : ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর উপকারিতা ও অপকারিতা
ই ক্যাপ এর উপকারিতা
ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ই কেপ ও বিদ্যমান ভিটামিন ই একটি শক্তিশালী অক্সাইড যা
ত্বকের ফ্রি মেডিকেল ক্ষতির থেকে রক্ষা করে ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় এবং
তরুণ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে থাকে
বয়সের সাপ দূর করতে সাহায্য করে বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের চামড়া ঘুষ খেয়ে
যাওয়া ছাড়া শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয় যে ক্ষেত্রে ই ক্যাপ এন্টি
ক্রিম হিসাবে ব্যবহার করা হয় ভিটামিন ই সমৃদ্ধ তেল যদি মালিশ করা যায় এর সাথে
তাহলে ত্বকের সব ধরনের বলিরেখা দূর হয়ে যায় ।
ক্ষত নিরাময়ে শরীলের বিভিন্ন ক্যাপসুল দারুন কার্যকারী শরীরের কোন হত দেখা দিলে
নিয়মিত সেবন খুব দ্রুত স্থান শুকাতে সাহায্য করে থাকে ।
হৃদরোগ প্রতিরোধ ভিটামিন ই ধমনী এবং রক্তনালীর দেয়ালকে সমৃদ্ধ রাখে যা
হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে অনেকটা সাহায্য করে থাকে ।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ই ক্যাপ সেবনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়
ভিটামিন ই এর অভাবজনিত যত রোগ আছে সব রোগ প্রতিরোধ সহায়তা করে ।
নখের ভিঙ্গুরতা দূবীকরন সারাদিন বিভিন্ন ধরনের কাজের ফলে আমাদের নখ
ক্ষতিগ্রস্ত হয় অনেক সময় ক্ষয় হয়ে যায় ফেটে যায় e cap এর ভেঙ্গেরতা দূর
করতে এবং নখ মজবুত করতে ই ক্যাপ এর তেল বেশি কার্যকারী হয়ে থাকে ।
ক্ষতিকর বর্জ বের করা এই ক্যাপ শরীর থেকে ক্ষতিকর টনিক বের করতে সাহায্য করে থাকে
যা পুরো শরীরের স্বাস্থ্য রক্ষা কাজ করতে বিশেষভাবে উপকার ও কার্যকারী করে তোলে
।
চোখের সুরক্ষা ভিটামিন ই ক্যাপসুল বা ই ক্যাপ রেটিনা সুরক্ষায় সাহায্য করে ফেলে
চোখের কিছু রোগ যেমন ছানি করা এবং চোখে ঝাপসা দেখা ঝুঁকি থেকে কমাতে সাহায্য করে
ই ক্যাপ এর ব্যবহার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা ক্ষতি সম্মুক্ষন হতে
পারেন ।
গর্ভবতী মায়েদের জন্য উপকারী ভিটামিন ই ক্যাপ গর্ভবতী মায়েদের জন্য উপকারী এটি
গর্ব পাতের ঝুঁকি কমায় এবং গর্ভস্থ শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো ।
ভিটামিন ই ক্যাপসুল কোনটা ভালো
- ডি আলফা টোকোফেরলের পরিমাণ এটি ভিটামিন ই এর সবচেয়ে সংকীর্ণ রূপ তাই এমন একটি ক্যাপসুল খুঁজুন যাতে এর উচ্চমাত্রা থাকে ।
- ব্যান্ড একটি সম্মানিত ব্যাংক থেকে একটি ক্যাপসুল বেছে নিন যা মনের নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিচিত হয়ে থাকে ।
- মূল্য ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর দাম ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে তাই আপনার বাজেটের জন্য একটি খুঁজুন ।
- অতিরিক্ত উপাদান কিছু ভিটামিন ই ক্যাপসুল অন্যান্য উপাদান যেমন ভিটামিন সি বা সেলিনিয়াম থাকে আপনি যদি নির্দিষ্ট উপাদানগুলো খুঁজেন তবে উপাদান গুলোর তালিকা পরীক্ষা করে নিশ্চিত করুন তবে বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ক্যাপসুল গুলো হল ই ক্যাপ ৪০০ই ভিট ই জেল ইত্যাদি ।
ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাওয়ার নিয়ম
ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাওয়ার নিয়ম নির্ভর করে আপনার বয়স লিঙ্গ এবং স্বাস্থ্য
অবস্থার ওপর সাধারণত ভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ভিটামিন ই ক্যাপ ও পারিস কৃত
দৈনিক ডোজ হল
পুরুষের জন্য: ১৫ মিলিগ্রাম
মহিলাদের জন্য: ১১ মিলিগ্রাম
তবে যে কোন ওষুধ বা ভিটামিন খাবার পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ মতে গ্রহণ করা
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
চুলের জন্য ভিটামিন ই ক্যাপ এর উপকারিতা
অনেকেই এটা বিশ্বাস করেন চুলের জন্য ভিটামিন ই ক্যাপ স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট
সুবিধা রয়েছে যাই হোক এই বিবৃতি গুলো বেশিরভাগ শক্তিশালী বিজ্ঞানী সমর্থন অভাব
রয়েছে চুলের ওপর ভিটামিন ই ক্যাপের প্রভাব সম্পৃক্ত বেশিরভাগ দাবি এর
এন্টিঅক্সিডেন্ট উপর ভিত্তি করে যে তারা কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করতে পারে এবং চুল
বৃদ্ধি করতে পারে ।
মাথার ত্বকের সঞ্চালন বাড়ায়
চুলের জন্য ভিটামিন ই ক্যাপসুল রক্ত প্রবাহী বাড়িয়ে চুলের স্বাস্থ্য বাড়ায়
১৯৯৯ সালে এটি গবেষণায় গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যে ভিটামিন ই ক্যাপ এর
উচ্চমাত্রা টাইপ ১ ডায়াবেটিস রোগীদের দৃষ্টি শক্তিতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়
২০০১ সালে প্রকাশিত পরিবর্তন গবেষণায় আবিষ্কৃত হয়েছে যে রক্ত প্রবাহ চুলের
বিকাশকে উদ্দীপিত করে এই চুলের ফলি কল এবং পুরুষত্ব উদ্দীপিত করা হয়েছে ভিটামিন
ই সরাসরি মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন প্রবাহিত করে কিনা এবং যদি তাই হয় চুলের
বিকাশের জন্য এর অর্থ কি তা নির্ধারণ করতে আরও অধ্যায় যদি এটি সত্যি বলে
প্রমাণিত হয় তবে এটি বিশ্ব ভুক্ত রোগীদের জন্য ভালো হবে ।
স্বাস্থ্যকর মাথার ত্বক বজায় রাখে
চুলের জন্য ভিটামিন ই ক্যাপসুল আপনার মাথার ত্বক সহ স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য এটি
প্রয়োজনীয় ভিটামিন ই মাথার ত্বককে শক্তিশালী করে এবং অক্সিডেন্ট কমিয়ে এবং
স্বাস্থ্যকর লিপি ড ধরে রাখে চুলের বৃদ্ধির জন্য এটি ভিত্তি প্রদান করে থাকে ।
চুলের জন্য ভিটামিন ই এর ব্যবহার
আশ্চর্যজনক বিষয় হলো ভিটামিন ই সহজে পাওয়া যায় সুষম খাদ্যের মাধ্যমে
সত্যিকারের অর্থ ভিটামিন ই এর ওপর তুলনীয় অস্বাভাবিক কারণ বেশিরভাগ ব্যক্তি
সারাদিন সুরক্ষিত খাবার পান যাই হোক আপনি যদি আপনার চুলের বিশেষভাবে লক্ষ্য করতে
চান তবে ভিটামিন কন্ডিশনার তেল ব্যবহার করে তাহলে আপনার চুলকে সুরক্ষা এবং সতেজ
রাখতে সাহায্য করবে ।
ডায়েট
ভালো চুলের জন্য আপনি কি এবং কতটা গ্রহন করবেন তা গুরুত্বপূর্ণ ক্যালরি প্রোটিন
বা মাইকো নিওটিন অভাব যেমন ভিটামিন ই আপনার চুলের বিকাশ গঠন এবং গতিকে প্রভাব
পড়তে পারে ভিটামিন ই এর সেরা কিছু সহ হল বাদাম শাক জলপাই এবং সূর্যমুখী তেল
অতিরিক্ত ভাবে এটি প্রতি রাশির সিরিয়াল এবং মাংসের মতো দূরযুক্ত খাবার পাওয়া
যেতে পারে
ই ক্যাপের অপকারিতা ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
লিভারের সমস্যা ইগা অতিরিক্ত ব্যবহারে শরীরের বিষাক্ত প্রভাব ফেলতে পারে এটি লিভারের ক্ষতি হতে পারে
পেটের সমস্যা কিছু মানুষ এর ক্ষেত্রে এই গ্যাপ ব্যবহারের ফলে বমি পেট ফাঁপা ডারিয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে
এলার্জির সম্ভাবনা কিছু মানুষের ত্বককে ই ক্যাপ ব্যবহার করলে এলার্জি চুলকানি রাস ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে যদি এলার্জি সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য আরও বেশি ক্ষতিকর
রক্ত জমাট বাধা রক্তের ঘনত্ব কমাতে সহায়ক হলেও অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে রক্তকরণের ঝুঁকি মারতে পারে বিশেষ করে যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করে তাদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ
গর্ভ ও স্থায়ীদের নারীদের জন্য ঝোঁকিপূর্ণ ই গ্যাপ সেবনে গর্ভবতী ও নারীদের জন্য উপযুক্ত নয় গর্ভবতী
নারীদের ক্ষেত্রে এটি ভ্রমণের স্বাস্থ্যর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে
এই ক্যাপ সেবন কিংবা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ নিয়ে
সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত কেননা কিছু অতিরিক্ত ভালো না বয়স লিঙ্গ
পরিচয় শারীরিক অবস্থা বিবেচনা ভিটামিন ই বহন তারা তম রয়েছে
সঠিক নিয়ম মেনে গ্রহণ করলে শরীর ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকুন শরীরের ভিটামিন
এর ঘাটতি দেখা দিলে খাওয়া প্রয়োজন পড়ে তবে যাদের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করবেন
তাদের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক ভাবে
যে সকল খাদ্য মধ্যে পাওয়া যায় সেগুলো সকল খাদ্য নিয়মিত গ্রহণ করতে পারেন
যেমন বাদাম আখরোট সূর্যমুখী বিশ কিসমিস কুমড়া নারিকেলের তেল চিড়া ইত্যাদি
ব্যবহার করতে পারেন ।
শেষ কথা
আপনার চুলের যত্ন সমাধানে ভিটামিন ই যোগ করার জন্য আপনার দামি পূর্ণ প্রয়োজন নেই
আপনারা রেপিটারের বিষয়ে শুরু করার জন্য একটি দুর্দান্ত জায়গা যদিও বাজারে অনেক
চিকিৎসকের শক্তিশালী এন্ড্রক্সিডেন্ট এর ধারণ ক্ষমতা এটি একটি সুপারিশ করা হয়
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ ভিটামিন ই
চিকিৎসকের ব্যবহারের আগে বা এটি সম্পূর্ণ গ্রহণ করার আগে বিশেষ করে যদি
আপনার চুল বা ত্বক মাথার ত্বকের রোগ থাকে এটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান হিসেবে
ভিটামিন প্রয়োজন
আমাদের আজকের এই পোস্টটি যদি আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাদের
বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন ধন্যবাদ সবাইকে ।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url